আগামী এক বছর যেকোনো সরকারি চাকরির পরীক্ষা দিতে যাওয়ার সময় এই পোস্ট টা দেখে নিবেন ১০-১৫ টা কমন পাবেন আশা করা যায় চাকরি, সাজেশন

আগামী এক বছর যেকোনো সরকারি চাকরির পরীক্ষা দিতে যাওয়ার সময় এই পোস্ট টা দেখে নিবেন ১০-১৫ টা কমন পাবেন আশা করা যায় চাকরি, সাজেশন

১। মোট জনসংখ্যা = ১৬ কোটি ৮ লক্ষ।
২। জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার = ১.৩৭%
৩। পুরুষ – মহিলা অনুপাত = ১০০.৩ঃ১০০
৪। জনসংখ্যার ঘনত্ব = ১০৯০ জন (বর্গ কি:মি)
৫। এক বছরের কম বয়সী শিশু মৃত্যুহার = ২৮ জন (প্রতি হাজারে)
৬। প্রত্যাশিত গড় আয়ু = ৭১.৬ বছর
৭। সাক্ষরতার হার = ৭১%
৮। দারিদ্র্যের ঊর্ধ্বসীমা = ২৪.৩%
৯। দারিদ্র্যের নিম্নসীমা = ১২.৯%
১০। GDP প্রবৃদ্ধির হার = ৭.৬৫%
১১। চলতি মূল্যে মাথাপিছু আয় = ১৭৫২ মার্কিন ডলার
১২। চলতি মূল্যে মাথাপিছু GDP = ১৬৭৭ মার্কিন ডলার
১৩। মূল্যস্ফীতি = ৫.৮৩% (জুলাই ১৭- এপ্রিল ১৮)
১৪। মোট ব্যাংক = ৫৭ টি
> রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক ৬ টি,
>বিশেষায়িত ব্যাংক ২ টি,
>বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক ৪০ টি,
>বৈদেশিক ব্যাংক ৯ টি
>ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান ৩৪ টি
>মোট বীমা ৭৮ টি, সরকারি জীবন বীমা ১ টি, সাধারণ বীমা ১ টি, বিদেশি বীমা ১টি।
১৫। সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স আসে = সৌদিআরব থেকে
১৫। সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করা হয় = যুক্তরাষ্ট্র
১৬। সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় = চীন
১৭। ঔষধ রপ্তানি করা হয় = ১৪৫ টি দেশে
১৮। মোট স্থাপিত বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা = ১৩,৮৪৬ মেগাওয়াট
১৯। মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন = ৩৫,৪৭৪ মিলিয়ন কিলোওয়াট -ঘণ্টা
২০। আবিষ্কৃত মোট গ্যাসক্ষেত্র = ২৭ টি
২১। প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রাথমিক মোট মজুদ = ৩৯.৯ ট্রিলিয়ন ঘনফুট
২২। প্রাকৃতিক গ্যাসের উত্তোলনযোগ্য মজুদ = ২৭.৭৬ ট্রিলিয়ন ঘনফুট
২৩। মোবাইল গ্রাহক = ১৪.৭ কোটি
২৪। ইন্টারনেট ইউজার = ৮.০৮ কোটি
২৫। বাংলাদেশ বেশি বৈদেশিক সাহায্য পায় = জাপান থেকে
২৬। সংস্থা হিসেবে বাংলাদেশ বেশি বৈদেশিক সাহায্য পায় = IDA থেকে
২৭। GDP তে অবদান (সাময়িক)
কৃষি = ১৪.১০%
শিল্প = ৩৩.৭১%
সেবা = ৫২.১৮%
[N.B. পরিসংখ্যান ব্যুরোর রিপোর্ট অনুযায়ী বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু ৭২ বছর]।
***২০১৮-২০১৯ অর্থবছরের বাজেট:
¤ তম: ৪৮ তম বাজেট (একটি অন্তবর্তীকালীন বাজেটসহ)
¤ বাজেট ঘোষণা/উপস্থাপন করা হয়: ০৭ জুন, ২০১৮।
¤ বাজেট পাশ : ২৮ জুন, ২০১৮।
¤ বাজেটের আকার : ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকা।
¤ বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (ADP) বরাদ্ধ : ১লাখ ৭৩ হাজার কোটি টাকা।
¤ জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ধরা হয়েছে : ৭.৮০%
¤ মূল্যস্ফীতির হার ধরা হয়েছে : ৫.৬%

¤ সবচেয়ে বেশি বাজেট বরাদ্দ জনপ্রশাসন : ৮৩, ৫০৯ কোটি
¤ দ্বিতীয় সবচেয়ে বেশি বাজেট বরাদ্দ শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে = ৬৭,৯৪৪ কোটি
¤ করমুক্ত আয়সীমা: সাধারণ সীমা (ব্যক্তি শ্রেণি) : ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা।
®®→বিশ্বকাপ ফুটবল -২০১৮
®®→চ্যাম্পিয়ন: ফ্রান্স (গোল লাইন ৪-২, এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন। এ পর্যন্ত মোট ৮টি দেশ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে।);
®®→রানার্স আপ: ক্রোয়েশিয়া (ক্রোয়েশিয়া ইউরোপের একটি বলকান রাষ্ট্র);
®®→তৃতীয় স্থান: বেলজিয়াম;
®®→ফেয়ার প্লে পুরস্কার: স্পেন;
★বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচের স্টেডিয়াম: লুঝকিনি স্টেডিয়াম, মস্কো;
★গোল্ডেন বল (আসরের সেরা খেলোয়ার): লুকা মড্রিচ (ক্রোয়েশিয়া);
★গোল্ডেন বুট (আসরের সর্বোচ্চ গোলদাতা): হ্যারি কেইন (ইংল্যান্ড, ৬ গোল);
★গোল্ডেন গ্লাভস (আসরের সেরা গোলরক্ষক): থিওবাথ কর্তোয়া (বেলজিয়াম);
★সিলভার বল (আসরের সেরা ইমার্জিং প্লেয়ার): কিলিয়ান এমবাপ্পে (ফ্রান্স);
★ফাইনালের ম্যান অফ দ্য ম্যাচ: গ্রিজম্যান (ফ্রান্স);
®® এবারের আসরের প্রথম গোল: ইউরি গাজিনস্কি (রাশিয়া);
এবারের আসরে মোট ®®→হ্যাট্রিক: ২টি [১ম- ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো (স্পেনের বিপক্ষে), ২য়- হ্যারি কেইন (পানামার বিপক্ষে)];
®®→প্রথমবারের মতো সংযোজন: V.A.R. (Video Assistant Referee);
®®→বিশ্বকাপ মাসকট: জাবিভাকা (ZABIVAKA), অর্থ- জংলী নেকড়ে;
®®→বিশ্বকাপ থিম সং: Live it up (শিল্পী- নিকি জেম);
®→এবারের আসর: ২১তম (আয়োজক- রাশিয়া);
®®→মোট যতটি শহরে খেলা অনুষ্ঠিত হয়: ১১টি;
®®→মোট ম্যাচের সংখ্যা: ৬৪টি;
®®→মোট অংশগ্রহণকারী দেশ: ৩২টি (এদের মধ্যে মুসলিম দেশ ৭টি);
®®_প্রথমবারের মতো অংশগ্রহণ: ২টি দেশ (পানামা ও আইসল্যান্ড);
®®→দ্বিতীয় রাউন্ডে খেলা একমাত্র এশিয় দেশ: জাপান;
®®→বিশ্বকাপের বলের নাম: টেলস্টার ১৮ (প্রথম রাউন্ড পর্যন্ত) এবং টেলস্টার মেচতা (দ্বিতীয় রাউন্ড থেকে ফাইনাল পর্যন্ত);
আগামী ২০২২ (২২তম) বিশ্বকাপ: আয়োজক দেশ- কাতার (মোট ৩২টি দেশ অংশ নেবে);
®®→পরবর্তী ২০২৬ (২৩তম) বিশ্বকাপ: আয়োজক দেশ- মেক্সিকো, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা (মোট ৪৮টি দেশ অংশ নেবে)
®®→বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে সবমিলিয়ে ৫৭+৬ = ৬৩ টি ব্যাংক আছে। কোন ধরণের ব্যাংক কতটি চলুন জেনে নেই। বর্তমানে দেশে প্রধানত দুই ধরনের ব্যাংক রয়েছে।
1. তফসিলী ব্যাংক (৫৭)
2. অ-তফসিলী ব্যাংক (৬)
তফসিলী ব্যাংকঃ যে সকল ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শর্তসমূহ মেনে নিয়ে এর তালিকায় অন্তর্ভূক্ত হয় তাকে তফসিলী ব্যাংক বলে । তফসিলী ব্যাংকগুলো ব্যাংক কোম্পানী অ্যাক্ট, ১৯৯১ (সংশোধিত ২০০৩) এর অধীনে কাজ করে। দেশে বর্তমানে ৫৭ টি তফসিলী ব্যাংক আছে। তফসিলী ব্যাংকগুলো নিম্নরুপ হয়ে থাকে।
1. বাণিজ্যিক ব্যাংক (৫৫)
2. বিশেষায়িত ব্যাংক (২)
বাণিজ্যক ব্যাংকঃ যে ব্যাংক জনগনের সঞ্চিত অর্থ আমানত হিসেবে রাখে এবং ব্যবসা-বাণিজ্যে ও শিল্প প্রতিষ্ঠানকে স্বল্প মেয়াদী ঋণ দেয় তাকে বাণিজ্যিক ব্যাংক বলে। এসব ব্যাংককে স্বল্প মেয়াদী ঋণের ব্যবসায়ীও বলা হয়। বাংলাদেশে দুই ধরনের বাণিজ্যিক ব্যাংক আছে।
1. রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক (৬)
2. ব্যক্তিমালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক (৪০)
3. বিদেশী বাণিজ্যিক ব্যাংক (৯)

Get involved!

আসুন আমাদের সাথে যুক্ত হোন

বাংলা ভাষায় বিশ্বের ১নং সোস্যাল নেটওয়ার্ক প্লাটফর্ম এ আপনাকে স্বাগতম ! ব্যবহারকারী নাম ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন , মুখচ্ছবি-তে নতুন হলে নিবন্ধন করুন !

Comments

কোনোও মন্তব্য নেই