আছে যার মনের মানুষ মনে তোলা সে কি জপে অন্য মালা।

অতি নির্জনে বসে দেখছে খেলা।।
কাছে রয় ডাকে তারে
উচ্চস্বরে কোন পাগলা।
যে যা বোঝে সে তাই বুঝে
থাক রে ভোলা।।
যার যেখানে ব্যথা
নেহাত সেখানে করে ডলামলা।
তেমনি জেনো মনের মানুষ মনে তোলা।।
যে জনা দেখে সে রূপ
করিয়ে চুপ রয় নিরালা।
লালন ভেড়োর লোক দেখানো
মুখে হরি হরি … বিস্তারিত পড়তে থাকুন

আল্লাহ বলো মন রে পাখী।

ভবে কেউ কারো নয় দুঃখের দুখী।।

ভুলো না রে ভব ভ্রান্ত কাজে
আখেরে এসব কান্ড মিছে।
মন রে আসতে একা যেতে একা
এ ভব পিরিতের ফল আছে কি।।

হওয়া বন্ধ হলে সুবাদ কিছুই নাই
বাড়ির বাহির করেন সবাই।
মন তোর কেবা আপন পর কে তখন
দেখে শুনে খেদে ঝরে আঁখি।।

বিস্তারিত পড়তে থাকুন

আয় দেখে যা নতুন ভাব এনেছে গোরা।

মুড়িয়ে মাথা গলে কাঁথা
কটিতে কৌপীন পরা।।

গোরা হাসে কাঁদে ভাবের অন্ত নাই
সদাই দীন দরদী বলে ছাড়ে হাই।
জিজ্ঞাসিলে কয় না কথা
হয়েছে কি ধন হারা।।

গোরা শাল ছেড়ে কৌপীন পড়েছে
আপনি মেতে জগত মাতিয়েছে।
মরি হায় কী লীলে কলিকালে
বেধবিধি চমৎকারা।।

সত্য ত্রেতা দ্বাপর কলি হয়
গোরা তার

বিস্তারিত পড়তে থাকুন

আমি ঐ চরণে দাসের যোগ্য নই।

নইলে মোর দশা কি এমন হয়।।

ভাব জানিনে প্রেম জানিনে
দাসী হতে চাই চরণে।
ভাব দিয়ে ভাব নিলে মনে
সেই সে রাঙ্গা চরণ পায়।।

নিজগুনে পদারবিন্দু
দেন যদি সাঁই দীনবন্ধু
তবে তরি ভবসিন্ধু
নইলে না দেখি উপায়।।

অহল্যা পাষানী ছিল
প্রভুর চরণ ধূলায় মানব হলো।
লালন পথে পড়ে র’লো
যা

বিস্তারিত পড়তে থাকুন

আমারে কি রাখবেন গুরু চরণদাসী।

ইতরপনা কার্য আমার ঘটে অহর্নিশি।।

জঠর যন্ত্রণা পেয়ে
এসেছিলাম কড়ার দিয়ে।
সে সকল গিয়াছি ভুলে ভবে তে আসি।।

চিনলাম না সে গুরু কি ধন
করলাম না তার সেবা সাধন।
ঘুরতে বুঝি হলো রে মন আবার চুরাশি।।

গুরুরূপ যার বাঁধা হৃদয়
শমন বলে তার কিসের ভয়।
লালন বলে মন তুই আমায়

বিস্তারিত পড়তে থাকুন

আছে ভাবের তালা যেই ঘরে

আছে ভাবের তালা যেই ঘরে

সেই ঘরে সাঁই বাস করে।।

ভাব দিয়ে খোল ভাবের তালা
দেখবি সে মানুষের খেলা।
ঘুচে যাবে মনের ঘোলা
থাকলে সে রূপ নিহারে।।

ভাবের ঘরে কি মূরতি
ভাবের লন্ঠন ভাবের বাতি।
ভাবের বিভাব হলে এক রতি
অমনি সে রূপ যায় সরে।।

ভাব নইলে ভক্তিতে কি হয়

বিস্তারিত পড়তে থাকুন